একজন আলোকিত মানুষ ড. রেজাউল, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‍‌‍‌প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর’‍‌‌‌র দাবী - বরিশাল পিপলস
দুপুর ১:১৪ ; বুধবার ; ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
facebook Youtube google+ twitter
×




একজন আলোকিত মানুষ ড. রেজাউল, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‍‌‍‌প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর’‍‌‌‌র দাবী

বরিশাল পিপলস
১১:৪৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০২০

মাসুদ রানা,বরিশাল পিপলস : বরিশাল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর গ্রামের ড.রেজাউল কবির। সেখানকার মানুষ তাকে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে চেনে-জানে। পেশায় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরিজীবি হলেও গুটিয়ে রাখেননি ব্যক্তিগত জীবনটাকে। “ছিন্নমূল এবং প্রতিবন্ধী” জনগোষ্ঠির জীবন পরিবর্তনে লড়াকু সৈনিকের ন্যায় কাজ করে যাচ্ছেন। ধ্যানে জ্ঞানে ড. রেজউল কবিরকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠিকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কিভাবে সমাজের মূলস্রোতধারায় ফিরিয়ে আনা যায়। অসহায় হয়ে এরা যাতে ভিক্ষাবৃত্তি না করে। সে লক্ষ্যে ড. রেজাউল নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেছেন ডিজএবল ডেভেলপমেন্ট এন্ড এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন (ডিডিইএফ)। এখানে দরিদ্র অবহেলিত প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবা,মাদক ও ধুমপান বিরোধী কার্যক্রম, বাল্য বিবাহ ও ইভটিজিং সংক্রান্ত কাজে এডভোকেসি প্রোগ্রাম। পয় ও পানি নিষ্কাশন, কৃষি উন্নয়নসহ শিক্ষা,গণশিক্ষা,বয়স্ক শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার এ কাজটি করে যাচ্ছেন বরগুনা পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর গ্রামের এ সেচ্ছসেবি সংগঠনটি। এর বাইরেও শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান, স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধিসহ আলোকিত দেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন । সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষেরা আনন্দের সাথে সেবা নিচ্ছেন। তাই সমাজের অধিকার বঞ্চিত এসব ছিন্নমূল মানুষদের কাছে ড.রেজাউল কবির একজন আলোকিত মানুষ।
সঙ্গত কারনেই ড.রেজাউল নিজেকে নিরব রাখতে পারেননি। ‘প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদফতর’র বাস্তবায়ন চেয়ে তার ফেইজবুক পেইজে `বিশ্ব মানবতার মা ‘বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উম্মুক্ত আবেদন করেছেন তিনি। এই নিরব প্রচেষ্টায় ফুটে উঠছে প্রতিবন্ধী ও ছিন্নমূল মানুষদের আলেকিত করার তাগিদ তার ভেতরে দংশন করছে।
ড.রেজাউলের প্রধানমন্ত্রী বরাবরে করা আবেদনটি হুবাহু তুলে ধরা হলো-

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
বিষয় : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদফতর’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ।
মহোদয়,
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে অধিকাংশ কার্যক্রম সরকারের পক্ষে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন বাস্তবায়ন করে থাকে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
দেশের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির উন্নয়নের জন্য সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন যা মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৬/১১/১৯৯৯ সালে সকম/প্রতিবন্ধী/৪৮/৯৮-৪৩৩ নং প্রজ্ঞাপন মূলে গঠিত হয়। ১৬-০২-২০০০ সালে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বর্তমানে ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশব্যাপী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। ৬৪টি জেলা সদরে ও ৩৯ টি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। এ যাত্রাও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার আমলে অর্থ্যাৎ ২০০৯-১০ অর্থ বছর থেকে সেবা কেন্দ্রসমূহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিগত ২ এপ্রিল ২০১০ সালে আপনি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মিরপুরস্থ ক্যাম্পাসে উপস্থিত থেকে একার্যক্রম শুভউদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধীতার ঝুকিতে থাকা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা, প্রশিক্ষণ কাউন্সেলিং ও বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ প্রদান করা হয়। এছাড়াও অটিজম রির্সোস সেন্টার, প্রতিবন্ধী শিশু নিবাস, স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম এবং বিশেষ শিশুদের জন্য বিদ্যালয় ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রসহ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে বর্তমানে প্রায় ১২০০ জনবল কর্মরত রয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নের প্রোমোশন অব সার্ভিসেস এন্ড অপরচুনিটিজ টু দ্যা ডিজএবলড পারসনস ইন বাংলাদেশ শীর্ষক একটি প্রকল্প গত ৩০ জুন ২০১৬ তারিখ সমাপ্ত হয়েছে। যা জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মহতী উদ্দ্যোগ এবং নির্দেশনা অনুযায়ী উক্ত সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্প ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছর থেকে সরকারের অর্থায়নে চলমান রয়েছে।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে আপনি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনকে ‘প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর’ এ রুপান্তরের ঘোষনা করেন।
বিগত ৩০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখ অনুষ্ঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বলয় সংক্রান্ত মন্ত্রীপরিষদ সভায়ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনকে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এ রুপান্তরের বিষয় সিদ্ধান্ত রয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাংলা ও ইংরেজী নামের অনুমোদন দেয়া হয়। উক্ত প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম প্রাথমিক অবস্থায় চালু করার জন্য স্বল্পাকারে জনবল কাঠামো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদন দেয় এবং অর্থমন্ত্রণালয় হতে স্কেল ভেটিং পাওয়া যায়।
পরবর্তী তে গত ২ এপ্রিল ২০১৪ সালে আপনি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তরে রুপান্ত ঘোষনা করে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এর নাম ফলক উন্মোচন করেন।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক মন্ডলীর ২০-০৫-২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত(মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে) ২য় সভায় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর তৈরির সিদ্ধান্ত রয়েছে।
পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়,অর্থ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ তিনটি মন্ত্রণালয়ের যৌথভাবে ২৯-৮-২০১৯ তারিখ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি পর্যালোচনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এ রুপান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
২৭ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর সংক্রান্ত বিষয় আলোচ্যসূচী থাকলেও কার্যবিবরণীতে কোন সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তাবায়িত হলে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তারা সমাজের মূলস্রোতধারায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
বর্তমান সরকারের আমলে অনেক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হয়েছে। বহুল প্রত্যাশিত এই অধিদপ্তর এর কার্যক্রম শুধু একটি প্রজ্ঞাপন জারীর অপেক্ষায় ছিল কিন্তু হঠাৎ এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। অধিদপ্তর বাস্তবায়িত হলে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির কাঙ্খিত সেবা তাদের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছে যাবে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলা হতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধিতার ঝুকিতে থাকা ব্যক্তিগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণস্বাক্ষর প্রদান করেছেন । আপনার হাতেই প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ ব্যাপারে আপনার একান্ত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় প্রতবিন্ধী উনয়ন ফাউন্ডশেনরে আওতায় দশেরে ৬৪টি জলো ও ৩৯টি উপজলোয় চালুকৃত মোট ১০৩টি প্রতবিন্ধী সবো ও সাহায্য কন্দ্রেরে মাধ্যমে প্রতবিন্ধী ব্যক্তি ও প্রতবিন্ধতিার ঝুকিতে থাকা ব্যক্তিদের সর্ম্পূন বনিামূল্যে ৫৮,২০,৭০৯ জনকে বভিন্নি থরোপউিটকি সবো প্রদান করা হয়ছে। যা র্বতমান অব্যাহত রয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলমান সবো সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির দোঁড়গোড়ায় থেরাপিউটিক সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে ভ্রাম্যামান মোবাইল রিহ্যিাবলিটিশেন থেরাপি ভ্যান এর মাধ্যমে প্রতবিন্ধী ব্যক্তি ও প্রতবিন্ধতিার ঝুকিতে থাকা ব্যক্তদিরে সর্ম্পূন বিনামূল্যে ৬,৮৩,১০৩ জনকে বভিন্নি থেরাপিউটিক সেবা প্রদান করা হয়েছে। যা র্বতমানে অব্যাহত রয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলমান সবো সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
অটজিম রির্সোস সেন্টারের মাধ্যমে অটজিমে আক্রান্ত ১৬,৮৭৭ জন শিশু ও ব্যক্তিকে বিনামূল্যে ম্যানুয়াল ও Instrumental থেরাপি সার্ভিস প্রদান করা হয়েছে। । এ র্কাযক্রমটি চালু রাখার লক্ষ্যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
র্কমজীবী প্রতবিন্ধী পুরুষ ও মহিলা হোস্টলেরে মাধ্যমে চাকুরী প্রত্যাশি ও র্কমক্ষম ২৭৫ জন প্রতবিন্ধী ব্যক্তি সামগ্রকিভাবে আবাসন সুবধিা পেয়েছে যা র্বতমান অব্যাহত রয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতশ্রিুতি অনুযায়ী বিভাগীয় শহরে এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধী শিশু নিবাসের মাধ্যমে ২৩টি এতিম ও অসহায় প্রতিবন্ধী শিশু লালন পালন করা হচ্ছে । এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতাসহ সকল ধরনরে প্রায় ৯৩৪৭ জন শিশুর শিক্ষা র্কাযক্রম চলমান রয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ইতোমধ্যে সর্ম্পূণ বিনামূল্যে প্রায় ৪৫৫৪৩ টি হুইল চেয়ারসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়ক উপকরণ বিরতণ করা হয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধীব্যক্তিদের নিয়ে র্কমরত বেসরকারি সংস্থার মধ্যে ১২ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা অনুদান ও ঋণ বিরতণ করা হয়ছে। এর মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
অটিজমে আক্রান্ত বিশেষ চাহদিা সম্পন্ন শিশু/ব্যক্তি ৮৫২ জন পিতা-মাতা/অভভিাবকদরে প্রশক্ষিণ প্রদান করা হয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও পুর্নবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় প্রতবিন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঢাকার মিরপুর-১৪ এ ১৫তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনকি জাতীয় প্রতবিন্ধী কমপ্লক্সে নিমাণ করা হয়ছে। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় প্রতবিন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডশেনরে মাধ্যমে আর্ন্তজাতিক মাল্টপিারপাস প্রতবিন্ধী ক্রীড়া কমপ্লক্সে নিমাণ র্কাযক্রম চলমান। এ র্কাযক্রমটি চালু রাখা এবং এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধকিার সুরক্ষা আইন ও এনডিডি সুরক্ষা সংক্রান্ত ২টি আইন প্রনয়ন করা হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদশে রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সলি আইন ও সমন্বতি বিশেষ শিক্ষা নীতমিালা ২০০৯ পাশ করা হয়, যা দেশের সকল প্রতবিন্ধী জনগোষ্ঠরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ও পুর্নবাসনসহ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধকিার রক্ষা ও সমাজরে মূলস্রোতধারায় একীভূতকরণে জোড়ালো ভূমকিা রাখছ। এ আইন ও নীতমিালা বাস্তবায়নরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
ফাউন্ডেশনের র্কাযক্রমকে সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে র্পযায়ক্রমে দেশের সকল উপজলোয় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপনরে জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নিদেশনা রয়ছে। এ র্কাযক্রম সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডশেনের ২০১৫ সালে ২য় পৃষ্ঠপোষক মন্ডলীর সভার সিদ্ধান্ত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত রেজুলেশন অনুযায়ী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
জানি না হয়ত মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনি জানেন যে প্রতবিন্ধী উন্নয়ন অধদিপ্তর ইতোমধ্যে বাস্তবায়তি হয়ছে। কিন্তু না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার ২০১৪ সালের ঘোষনা এবং ২০১৫ সালের লিখিত নিদেশনার পরও আজও কোন অজ্ঞাত ভাইরাসের কারনে বিষয়টি চুড়ান্ত হয়নি। আমরা বিশ্বাস করি এই ভিডিওতে আপনি যা বলেছেন তা সত্যি এবং এটি অবিচিরেই সকল ভেরাজাল ছিন্ন করে বাস্তবায়িত হবে ইনশাল্লাহ।
আজকে দেশের এই কঠিন দিনে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এর কার্যক্রম চলমান থাকলে সকল উপজেলায় ইউনিয়নে এমনকি গ্রামে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির কল্যাণে হয়ত আরও বেশি কাজ করা যেত। এখানে একটি বিষয় না বললেই নয় করোনাকালীন সময়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহযোগিতার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন হতে ১(এক) কোটি ১০(দশ) লক্ষ টাকা দেশ ব্যাপি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণের জন্য সম্মানিত ৬৩ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে(ঢাকা জেলা ব্যতীত)। ঢাকা জেলায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংগঠন ও বিশেষ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে আপনার অপিরিসীম ভূমিকায় বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবেলায় আল্লাহর রহমতে এখনও অন্যান্য দেশের তুলনায় ভাল অবস্থানে রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সকলকে যার যার জায়গা থেকে সহযোগিতা করা দরকার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
২৯তম আর্ন্তজাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে ৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত অনেকগুলো দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রাণের দাবী ‘প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর’ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।যেমন যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন,আমার সংবাদ,প্রতিদিনের সংবাদ,ভোরের দপর্ণ,দ্যা ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস,বিডি নিউজ২৪ এবং বরিশাল পিপলস পত্রিকা।
দেশরত্ন ও মানবতার মা হিসেবে খ্যাত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
আপনার হাতে তৈরি ১৯৯৯ সালে গঠিত জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এবং আপনার হাতে তৈরি ২০১০ সালে গঠিত প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রসহ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সাথে সম্পৃক্ত সকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নিয়ে দেশের আপামর প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির কল্যাণ ও উন্নয়নের নিমিত্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রতিশ্রুত ও স্বঘোষিত এবং লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর এর কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আপনার সানুগ্রহ হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
নিবেদক
ড. মো: রেজাউল কবির
১১ ডিসেম্বর ২০২০

আইন-আদালত, আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ




আপনার মতামত লিখুন :




এই বিভাগের আরো সংবাদ




আমাদের ফেসবুক পেজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মাসুদ রানা
ব্যবস্পাপনা সম্পাদক: কামাল সরদার (মুন্না)

ঠিকানা: জাহানারা মঞ্জিল, কবি নজরুল ইসলাম

সড়ক, নথুল্লাবাদ ( বাস-টার্মিনাল’র দক্ষিনপাশে) বরিশাল।
মোবাইলঃ 01718666126
ই-মেইলঃ masud.journalsit24@gmail.com

ই-মেইল: barisalpeoples@gmail.com
টপ
  উপ-সচিব’র মা ও মৃত বাবাকে ভূমিহীন দেখিয়ে বরিশালে সরকারি জমি বন্ধোবস্ত   দেশ বরেণ্য সাংবাদিক রফিককে থানায় আটকে নির্যাতন,দুই পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা   বরগুনায় নৌকার তিন কর্মীকে মারধর,বিদ্রোহী প্রার্থীর তিন কর্মী আটক    বরগুনায় প্রার্থীদের নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের মতবিনিময় সভা   দুর্নীতির টাকায় বরিাশাল ইনফ্রা’র পরিচালক আমির কোটিপতি,হুমকির মুখে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ   প্রধানমন্ত্রীর উদ্ভোধন’র অপেক্ষায় বরিশাল আদালতের নতুন ভবন, গতি ফিরবে বিচার কার্যক্রমে   শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি) বরিশাল   এসএনডিসি’র আয়োজনে বেদে পল্লীর শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ   বরিশালে দুর্বৃত্তদের আগুনে বসতঘরসহ গবাদিপশু পুড়ে ছাই   বরিশালে নদী দখল করে ঝুঁকিপূর্ন স্থানে সরকারি প্রকল্পের টাকায় উন্নয়ন কাজ,দুর্নীতির আলামত!!   বরিশালে নদী দখল করে ঝুঁকিপূর্ন স্থানে প্রকল্পের টাকায় ফিস সেট নির্মান   কিশোর-কিশোরীদের যৌন স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতে কর্মসূচি গ্রহণের আহবান তরুনদের   বরিশালে করোনার মধ্যে কলেজের ফি দিতে না পারায় ছাত্রীকে যৌনতার প্রস্তাব   বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হিসাবরক্ষক হুমায়ুন কবিরের দুর্নীতি ফাঁস!!   উজিরপুরে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ছাত্রলীগের দিনভর গণসংযোগ   জলবায়ু সুরক্ষার দাবিতে বিজয় দিবসে রাজধানীতে সাইকেল র‌্যালি   কর্মিদের ভাস্কর্য ও মন্দির পাহারায় রেখে চরমোনাই পীরের বিজয় দিবসের র‌্যালী   বরিশালে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ও মন্দির পাহারায় চরমোনাই পীরের সেচ্ছাসেবকরা   বরিশালের কৃতিসন্তান জহির,গ্রীস’র ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত   বরিশালে অস্ত্রধারীদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ