রাত ১১:০১ ; শনিবার ; ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
facebook Youtube google+ twitter
×




কঙ্গোর জনগনের কাছে শান্তির নাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-পুলিশ

বরিশাল পিপলস
১২:১৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রয়েছে একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বহু সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছে। প্রতি বছরই বাড়ছে এই সংখ্যা। এর মধ্যে যুদ্ধ, সংঘাত আর ইবোলা নিয়ে প্রায়শই খবরের শিরোনাম হওয়া ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো হচ্ছে একটি। শুধু তাই নয়, জানলাম দেশটিতে দেড় লাখের কাছাকাছি মানুষ প্রতি বছর সাপের ছোবলে মারা যায়। ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকার এই দেশটির সীমানার চারপাশ এবং ভেতরের বিরাট অংশ বনভূমি। আর এই গহীন বনেই মৃত্যুফাঁদ দিন দিন বড় হয়ে উঠছে। এসব জঙ্গলে বিপুল বিষধর সাপের বাস। প্রতি বছর সাপের ছোবলে প্রাণ হারায় বহু মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং মেদসাঁ স্যঁ ফ্রঁতিয়ে যাকে আফ্রিকার ‘অবহেলিত এক সঙ্কট’ বলে বর্ণনা করেছে। আরও জানলাম, সেখানে আমাদের সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনী কাজ করছে। সেই হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির জাতিসংঘ মিশনের অধীনে কঙ্গোতে অবস্থানরত বাংলাদেশ মিশনের কার্যক্রম পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে আমার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কঙ্গোতে যায়। আমার টিমে ছিলেন মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা এমপি, মেজর জেনারেল (অব.) মোঃ নাছির উদ্দিন এমপি, মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, আমার একান্ত সচিব তৌফিক ইমাম, লে. কর্নেল মোঃ নাজমুল হক, স্কোয়াড্রন লিডার ইশতিয়াক মাহমুদ ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার শফিকুল ইসলাম শামীম।

গত ২২ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত এই সফরের নানা বিষয় আমাকে বিমোহিত করে। সফরকে কেন্দ্র করে বরাবরের মতো এবারও একটি লেখার কথা ভাবছিলাম ফেরার পরপরই। শুরুও করেছিলাম; কিন্তু সংসদে বাজেট অধিবেশন, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জনসম্পৃক্ত কর্মসূচী সামনে রেখে আমার নির্বাচনী এলাকায় বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়ি। তাই কিছুটা বিলম্বেই লিখতে বসা।

মূল লেখায় যাওয়ার আগে দেশটির পরিচয় তুলে ধরছি। আফ্রিকার প্রায় সব দেশেই রাজনৈতিক অস্থিরতা রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই অস্থিরতা যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধে পর্যন্ত গড়িয়েছে। আবার কোথাও কোথাও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জঙ্গীবাদের উত্থান আফ্রিকার বিভিন্ন রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। জঙ্গীবাদের থাবায় এসব রাষ্ট্র হারিয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। কঙ্গোও এর বাইরে নয়। কঙ্গো আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। দেশটির পশ্চিমে গ্যাবন ও আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তর-পশ্চিমে ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে এ্যাঙ্গোলা অবস্থিত। দেশটির আয়তন ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪০৯ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৮ কোটি। রাজধানী কিনশাসা। এটি দেশটির বৃহত্তম নগরীও। আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে কঙ্গোর অবস্থান দ্বিতীয়। দেশটি অর্থনীতিতে পিছিয়ে থাকার কারণ হলো রাজনৈতিক হানাহানি, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি। ১৯৯০ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কিভুতে সেনাবাহিনী নিয়মিত এম-২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধ করেছে। যদিও ২০১৩ সালের শেষের দিকে সরকার বিদ্রোহীদের দমনে সক্ষম বলে ঘোষণা দেয়। বাস্তবে বিদ্রোহীরা দুর্বল হলেও এখনও সক্রিয়।

আমাদের সফরের উদ্দেশ্য কঙ্গোতে অবস্থিত বাংলাদেশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন। সেই লক্ষ্যে ২২ জুন ২০১৯ আমরা ঢাকা থেকে ইস্তানবুল, আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া) হয়ে ২৩ জুন রাতে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় পৌঁছি। কিনশাসায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মিশন প্রধান এসআরএসজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করি ২৪ জুন। এদিন বৈঠক হয় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গেও। কিনশাসায় বাংলাদেশ পুলিশের মহিলা পুলিশ কন্টিনজেন্ট রয়েছে, আমরা তাদের সঙ্গেও বৈঠক করি। ২৫ জুন কিনশাসা থেকে গোমায় যাই। সেখানে ফোর্স কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠক হয়। গোমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার এবং মিলিটারি পুলিশের দুটি কন্টিনজেন্ট রয়েছে। তাদের অফিসার এবং সৈনিকদের সঙ্গে বৈঠক করি এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধাসহ নানা বিষয় সম্পর্কে অবহিত হই। আমরা গোমা থেকে বুনিয়ায় আসি। বুনিয়ায় বাংলাদেশ এয়ারফোর্স, বাংলাদেশ আর্মির সিগন্যাল এবং আরডিবির মোট তিনটি কন্টিনজেন্ট রয়েছে। আমরা ২৬ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত বুনিয়ায় অবস্থিত, এয়ার কন্টিনজেন্ট, আর্মি সিগন্যাল কন্টিনজেন্ট, আর্মি আর বি কন্টিনজেন্টে অফিসার ও সৈনিকদের কার্যক্রম পরিদর্শন করি। সময় আমরা বিভিন্ন ক্যাম্প ঘুরে দেখি। বুনিয়া শহরটি হলো ইতুরি প্রদেশের রাজধানী। শহরের আয়তন প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার। আর লোকসংখ্যা তিন লাখ ৬৬ হাজার। তাই সমগ্র ডিআর কঙ্গোর তুলনায় এ শহরটি বেশ ঘনবসতিসম্পন্ন। বুনিয়া ডিআর কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা থেকে উত্তর-পূর্বদিকে ৩২৪৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। উল্লেখ করা প্রয়োজন, বর্তমানে কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ আর্মি, এয়ারফোর্স এবং পুলিশের মোট ১৯২৬ জন অফিসার ও সৈনিক কর্মরত রয়েছেন। শুনে ভাল লাগল, মিশনে বাংলাদেশের নারীদের অবস্থানও শীর্ষে। বুনিয়া থেকে আমরা ২৮ জুন ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করি। এই গেল অফিসিয়াল বর্ণনা। এবার সেখানকার কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরব, যা এই সফরের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা।

এখানকার মানুষজন দেখতে কালো। দেশটি ১৯৬০ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করলেও এদের জীবনচিত্র দেখলে যে কেউ বলবেন মানুষগুলো এখনও সভ্যতার ছোঁয়া পায়নি। এখানকার সরকারী ভাষা ফরাসী হলেও স্বীকৃত ভাষা হচ্ছে কঙ্গো, ফিতুবা এবং লিঙ্গালা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা ভাষা একটা বিশেষ স্থান দখল করেছে। কঙ্গোর বহু মানুষ এখন বাংলা বোঝেন এবং বলতেও পারেন। আনন্দের সংবাদ হলো আমাদের সেনাবাহিনী তাদের জীবনযাত্রার মান বাড়াতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে সফল, মানে সাফল্যের আরেক বাংলাদেশ। সেখানে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনী দেশটির অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করছে। অবশ্য সেখানে ব্রাজিল, ফিলিপাইন, পাকিস্তানের আর্মিও আছে। তবে কঙ্গোর বহু মানুষের কাছে ‘বাংলা গুড’। তারা ‘বাংলাদেশ’ বলতে পারে না। শুনেছি তারা এতটাই সরল যে, আমাদের আর্মি মশা তাড়াবার জন্য স্প্রে করে। এতে সেখানে কুয়াশা তৈরি হয়। তখন স্থানীয় লোকজন এসে জিজ্ঞেস করে, ওদের ওখানে বৃষ্টি নেই, আমাদের এখানে কিভাবে বৃষ্টি হচ্ছে?

দেখে এবং অনেকের সঙ্গে আলোচনায় মনে হলো কৃষি হতে পারে কঙ্গোর প্রধান আয়ের উৎস। অবশ্য যদি আমাদের দেশের মতো কৃষিবান্ধব সরকার সে দেশের হতো। আমার মনে হয় দেশটির কৃষিতে বাংলাদেশের অবদান রাখার সুযোগ আছে। বাংলাদেশ সরকার ইচ্ছে করলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে।

বিশাল আকৃতির দেশ হলো ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। সংক্ষেপে বলা হয় ডিআর কঙ্গো। আয়তনের দিক থেকে এটি আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম দেশ। বাংলাদেশের প্রায় ১৬ গুণ বড়। মোট ২৬টি প্রদেশ নিয়ে এ দেশ। খনিজসম্পদের পাশাপাশি বিশ্বের প্রধান স্বর্ণ ও হীরা উৎপাদনকারী হিসেবেও দেশটির খ্যাতি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে তামা, নিকেল, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসসহ আরও অনেক সম্পদ। দেশটিতে কর্মসংস্থানের জন্য কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখনও গড়ে উঠেনি। শুনেছি এখানকার স্থায়ী বাসিন্দারা সাধারণত অলস। তবে এখানকার পুরুষের তুলনায় মহিলারা বেশি পরিশ্রমী।

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সাফল্যের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান এখন অনুকরণীয়। কারণ, নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন মিশনে কাজ অসমাপ্ত রেখে জাতিসংঘ বাহিনী ফিরে আসার মতো কথাও আমরা জানি। কিন্তু একমাত্র বাংলাদেশীরাই হচ্ছে এর ব্যতিক্রম। কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে সেখানকার মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। কঙ্গোর জনমনে আস্থা এবং বিশ্বাসের একটা বিশাল স্থান দখল করেছে বাংলাদেশী বাহিনী। দেশটির বেশিরভাগ এলাকা সবুজ অরণ্যে শোভিত। তাই এখানকার প্রকৃতির সৌন্দর্যও অপরূপ।
বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী বাহিনী বিশ্ব নিরাপত্তা ও শান্তি সুরক্ষায় যে সাফল্যের ইতিহাস তৈরি করে চলছে তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকা জরুরী। যে কথা আমি আমাদের সৈনিকদের প্রায়শই বলি, তোমাদের মানবিক দায়িত্ববোধের কারণে বাংলাদেশ এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানকে উচ্চাসনে তুলে ধরবে। সবার জন্য শুভ কামনা। প্রিয় পাঠক, কঙ্গো সফরটি আমার জন্য ভিন্নমাত্রার অভিজ্ঞতা, অনন্য এক স্মরণীয় সফর।

লেখক : সভাপতি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

জাতীয়, বরিশাল বিভাগ, বিশেষ প্রতিবেদন, লিড নিউজ




আপনার মতামত লিখুন :




এই বিভাগের আরো সংবাদ




আমাদের ফেসবুক পেজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মাসুদ রানা
ব্যবস্পাপনা সম্পাদক: কামাল সরদার (মুন্না)

ঠিকানা: জাহানারা মঞ্জিল, কবি নজরুল ইসলাম

সড়ক, নথুল্লাবাদ ( বাস-টার্মিনাল’র দক্ষিনপাশে) বরিশাল।
মোবাইলঃ 01718666126
ই-মেইলঃ masud.journalsit24@gmail.com

ই-মেইল: barisalpeoples@gmail.com
টপ
  বাবুগঞ্জে ইয়াবা সেবী পুলিশ সদস্যের নির্যাতনে স্ত্রী হাসপাতালে   করোনা ঠেকাতে বরিশাল জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে   Bangladesh plans new pandemic restrictions; no more lock-downs   মহামারী নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা ; লকডাউন হবে না বাংলাদেশে   বনেকের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত, অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন পেতে সহযোগিতার সিদ্বান্ত   পিরোজপুরে বক্তারা : পুরুষদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রুখে দেয়া সম্ভব   করোনা প্রতিরোধে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সচেতনতামূলক র‌্যালি   বরিশালে সুন্দরবন লঞ্চের ছাদে যুবককে কুপিয়ে হত্যা   ক্ষমা চাচ্ছি-আমি মুসলমান, কালীপূজা উদ্বোধন করিনি : সাকিব আল হাসান   বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ   জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে মঠবাড়িয়ায় ডিজিটাল পাবলিক লাইব্রেরীর আত্মপ্রকাশ!   বরিশাল মিডিয়ার ভেঙ্গে দেওয়া একটি হাত….   র‌্যাব-৮’র অভিযানে চোরাই গাড়ীসহ ফরিদপুরের সেন্টু গ্রেফতার   ঢকায় T20 ক্রিকেট’র লোগো উন্মোচন করবেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক   ‘উপকূল দিবস’ ঘোষণা ও উপকূলীয় অঞ্চল সুরক্ষার দাবিতে পদযাত্রা   কলামিষ্ট রাজু লস্কর’র নতুন লেখনীতে….রাজনীতি বনাম বিজ্ঞাপন   উত্তাপ্ত বরিশালে অর্থনৈতিক নিরাপত্তায় শিল্প পুলিশের দাবি!   বাবুগঞ্জ পাংশা গ্রামের কাঁচা রাস্তায় মানুষের দুর্ভোগ   ঢাকা থেকে বরিশালে এসে ব্যবসায়ী নিখোাঁজ   বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদে ব্যাংকে চাকরি